

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থিতা ঘিরে আলোচনায় সাবে কাউন্সিলার ও মহিলা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা শামসুন্নাহার ভুঁইয়া।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে বিএনপিতে মহিলা দলের পাশাপাশি সাবেক ছাত্রদল করা নেত্রীরা বেশ এগিয়ে আছেন।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ছয়জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পায়। আসন অনুপাতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে দলটি পাবে ৩৫টি।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার সংরক্ষিত নারী আসনগুলো হবে নবীন-প্রবীণের মিশ্রণে।
নেত্রীদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা শামসুন্নাহার ভুঁইয়া বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে।
১৯৮৩-৮৪ সালের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালীন কলেজ) ছাত্রদলের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে থেকে সক্রিয় সদস্য হিসেবে আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নেন শামসুন্নাহার ভুঁইয়া। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। থানা পর্যায়ের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনের পরে, ২০০৩-৭ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর লালবাগ থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক ও পরে ২০১৫- ২০ সাল পর্যন্ত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকার দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনপ্রিয় কাউন্সিলার শামসুন্নাহার ভুঁইয়া ২০১৫ ও ২০১৯ সালের ব্যাপক কারচুপির মধ্যেও বিএনপির থেকে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করা এই জাতীয়তাবাদী নেত্রী ২০০১ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের পুরান ঢাকার ২৭,২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ড প্রথমবার ও পরে আবারও ঢাকাকে দুই ভাগে ভাগ করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৭,২৮ ও ৩০ নং ওয়ার্ড থেকে ২০১৫ সালে ও ২০১৯ সালের নির্বাচনে জয় পান। অর্থাৎ টানা তিনবারের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলার ছিলেন তিনি।
পারিবারিকভাবে স্বামী বীর মুক্তিযুদ্ধা সিরাজুল ইসলাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ) ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
মনোনয়ন পেলে কী কাজ করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে শামসুন্নাহার ভূইয়া বলেন, "আমাদের প্রয়াত বিএনপির চেয়ারম্যান আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তরুন প্রজন্মের আইডল বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে বিগত ফ্যসিস্ট সরকারের সময় পুরবন ঢাকার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও ঢাকা দক্ষিনের জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেত্রীদের পাশে ছিলাম। জেল জুলুম অত্যাচারিতদের পাশে ছিলাম। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর থাকার সুবাদে বিএনপির রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের আইনি ও আর্থিক সহায়তা করার সুযোগ পেয়েছি। সব শেষ তরুনদের আইডল তারেক রহমান মনোনিত ঢাকা ৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী কে বিজয়ী করতে দিনরাত মাঠে ছিলাম।
আমাকে মহান জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে সুযোগ দিলে আমার নির্বাচনী এলাকার অসহায় দুস্থ মানুষের পাশাপাশি সন্ত্রাস, মাদক মুক্ত, উন্নত, শান্তিপূর্ন জনপদ গড়ে তুলতে সকল বিষয় সবার সহযোগিতা নিয়ে, সর্বোপরি দেশ নায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ করবো।
মন্তব্য করুন

