

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গত ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর আলোচিত পুলিশ হত্যা মামলায় গ্রেফতার হন ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমানউল্লাহ আমান। তাকে গ্রেফতারের আগে তাকে ধরতে না পেরে তার আপন বড় ভাই শহীদুল্লাহ মুসুল্লিকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।
আলোচিত সেই মামলায় যখন ছাত্রনেতা আমানকে বারবার রিমান্ডে নেয় পুলিশ এবং আমানের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন করে তখন প্রায় নিয়মিত আমানের মায়ের সাথে লন্ডন থেকে ফোনে কথা বলতেন তারেক রহমান।
ঐ সময় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত ‘দুই সন্তানের মুক্তির আশায় কোর্টের বারান্দায় বসে থাকেন ৭৫ বছরের আম্বিয়া খাতুন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে সেটি সারাদেশে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে আজকে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
গত কয়েকদিন ধরে ছাত্রনেতা আমানের মমতাময়ী মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকার মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি।
শুরু থেকে দুঃসময়ের সংগ্রামী মা আম্বিয়া খাতুনের খোঁজ খবর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার রাত ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী চিকিৎসক ডাঃ মনোয়ারুল কাদির বিটু প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের এসে আম্বিয়া খাতুনের চিকিৎসার অগ্রগতির খোঁজ খবর নেন।
এ সময় ডাঃ মনোয়ারুল কাদির বিটু মোঃ আমানউল্লাহ আমানের মায়ের চিকিৎসায় কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
ডাঃ বিটু, আমান ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং তার মায়ের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
এ সময় ডাঃ মনোয়ারুল কাদির বিটু'র সাথে ডাঃ রাশেদুল হাসান রিপন, ডাঃ শাহ মোঃ সামিউর রহমান, ডাঃ মোঃ মাহমুদ আলী বাবু, ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান সহ যেই দুই সন্তানের জন্য আম্বিয়া খাতুন কোর্টের বারান্দায় বসে থাকতেন সেই দুই সন্তান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমানউল্লাহ আমান এবং তার বড় ভাই মোঃ শহীদুল্লাহ মুসুল্লি উপস্থিত ছিলেন।
