

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার আগ্রহ কমে যাওয়া নিয়ে এক মজার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। খোদ চিফ হুইপ স্বীকার করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংসদের প্রাণ এবং তিনি না থাকলে অনেকেই বক্তব্য দিতে চান না।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্পিকার ও চিফ হুইপের মধ্যকার আলোচনায় এসব কথা উঠে আসে।
অধিবেশন চলাকালে নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের নাম বক্তা হিসেবে ঘোষণা করেন স্পিকার। কিন্তু বাবর বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্পিকার কিছুটা উষ্মা প্রকাশ করে চিফ হুইপকে বলেন, মাননীয় চিফ হুইপ, এই যে তালিকা দেন, প্রথমে ছাপানো তারপরে হাতে লেখা, কিন্তু বক্তা পাওয়া যায় না।
স্পিকারের প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, মাননীয় স্পিকার, তালিকাভুক্ত সকলের সাথেই আমাদের কথা হয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্যের সাথে হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু কথা বলেছেন। কিন্তু একটা সমস্যা হচ্ছে, আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদের প্রাণ। একচুয়ালি উনি থাকলে সবাই তার বক্তব্য শোনাতে চায়। এজন্য আমরা অনেক বক্তাই পাই না। তিনি আরও যোগ করে বলেন, সদস্যদের বক্তব্য রেকর্ড করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এ সময় লুৎফুজ্জামান বাবর দাঁড়িয়ে বলেন, আমি বলতে চাচ্ছি না, এই কথাটা সঠিক না। আমি মাননীয় অপুর (হুইপ) সাথে আমার এই ব্যাপারে কোনো কথাই হয় নাই। এরপর স্পিকার তাকে বসতে বলেন এবং পরে সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দেন।
প্রথম সারিতে মাত্র তিনজন মন্ত্রীকে দেখে স্পিকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সদস্যরা তাদের এলাকার রাস্তাঘাট বা হাসপাতালের বেহাল অবস্থা নিয়ে কথা বলেন, যা মন্ত্রীদের শোনা প্রয়োজন। আপনি (চিফ হুইপ) মন্ত্রীদের অনুরোধ করবেন তারা যেন সংসদে এসে সদস্যদের কথা শোনেন।
জবাবে চিফ হুইপ জানান, অনেক মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সাথে রাষ্ট্রীয় সফরে ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে বাইরে আছেন। তবে প্রায় ৩০-৪০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত আছেন এবং তারা নোট নিচ্ছেন।
শেষে স্পিকার বলেন, সংসদ অধিবেশনে অ্যাটেন্ড করার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই।
মন্তব্য করুন