

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঈদের সময় বড় শহরগুলো একেবারে বদলে যায়। দিনের ব্যস্ত যানজটের বদলে রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে পড়ে, যেন চেনা শহরটাই অন্য রূপ নেয়। এই ফাঁকা শহরে অনেকেই আত্মীয়স্বজনের বাসায় যাতায়াত বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হতে রাইড শেয়ারিং অ্যাপের ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু চালক কম থাকায় ঈদের রাতে গাড়ি বা বাইক পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। কিছু কৌশল মানলে এই সমস্যা অনেকটাই সহজ করা যায়।
ঈদের রাতে শুধু একটি রাইড শেয়ারিং অ্যাপের ওপর নির্ভর না করাই ভালো। আপনার এলাকায় কোন কোন অ্যাপ সচল আছে, তা দেখে অন্তত দুই থেকে তিনটি অ্যাপ একসঙ্গে ব্যবহার করুন। যে অ্যাপে আগে চালক পাওয়া যাবে, সেটি নিশ্চিত করে অন্যগুলো বাতিল করে দিন। এতে সময় নষ্ট কম হবে এবং দ্রুত রাইড পাওয়া সহজ হবে।
চালকেরা সাধারণত সরু গলিতে ঢুকতে চান না, বিশেষ করে ফাঁকা রাস্তায় দ্রুত ট্রিপ শেষ করতে চান বলে। তাই বাসার ভেতরের ঠিকানা না দিয়ে পিকআপ লোকেশন বড় রাস্তার মোড় বা কাছের কোনো পরিচিত জায়গায় সেট করা ভালো। প্রয়োজনে কিছুটা হেঁটে গিয়ে সেখানে দাঁড়ালে রাইড পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
কিছু অ্যাপে নিজের ইচ্ছামতো ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ থাকে। ঈদের রাতে যখন গাড়ির সংকট থাকে, তখন সামান্য বেশি ভাড়া অফার করলে চালকেরা দ্রুত রাইড গ্রহণ করতে আগ্রহী হন। এটি বিশেষ করে ‘পিক আওয়ারে কার্যকর হতে পারে।
যদি সাধারণ রাইড না পাওয়া যায়, তাহলে একই অ্যাপের প্রিমিয়াম বা বড় ক্যাটাগরির গাড়ি অপশনগুলো চেষ্টা করা যেতে পারে। তুলনামূলকভাবে ভাড়া বেশি হলেও এসব ক্ষেত্রে চালক পাওয়া সহজ হয়, কারণ প্রতিযোগিতা কম থাকে।
রাইড গ্রহণ করার পর অনেক সময় দূরত্ব বা লোকেশন নিয়ে চালকেরা দ্বিধায় থাকেন। তাই রিকোয়েস্ট গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে চালককে ফোন করে অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানানো ভালো। আপনি মেইন রোডে আছেন—এটা নিশ্চিত করলে ট্রিপ বাতিলের ঝুঁকি কমে যায়।
ফাঁকা রাস্তার কারণে ঈদের রাতে অনেক চালক দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে পারেন। তাই যাত্রা শুরুর আগে বিনয়ের সঙ্গে চালককে ধীরে ও সতর্কভাবে চালানোর অনুরোধ করা উচিত। ঈদের আনন্দের পাশাপাশি নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।