

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শীত এলেই গ্রামবাংলায় ছড়িয়ে পড়ে খেজুরের গুড়ের চেনা মিষ্টি ঘ্রাণ। পিঠা, পায়েস থেকে শুরু করে নানা ঐতিহ্যবাহী খাবারে গুড় বাঙালির রসনার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
স্বাদের পাশাপাশি গুড় পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, সেলেনিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
সাধারণত খেজুর গাছ থেকে সংগ্রহ করা রস দীর্ঘ সময় জ্বাল দিয়ে ঘন করে তৈরি করা হয় গুড়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে ভেজাল গুড়ের উপস্থিতি বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চিনি, ফিটকিরি কিংবা কৃত্রিম রং মিশিয়ে গুড় তৈরি করছে, যা দেখতে আকর্ষণীয় হলেও স্বাদ ও গুণমানে পিছিয়ে।
প্রাকৃতিক গুড় সাধারণত গাঢ় বাদামি বা লালচে কালচে রঙের হয়ে থাকে। পাটালি গুড় নরম, ভেতরে হালকা রসাল ভাব থাকে এবং এতে স্বাভাবিক মিষ্টি ঘ্রাণ পাওয়া যায়।
যদি গুড় অতিরিক্ত চকচকে ও অস্বাভাবিকভাবে শক্ত হয়, তাহলে তাতে চিনি বা রাসায়নিক উপাদান মেশানোর সম্ভাবনা রয়েছে। রং যদি সাদা বা খুব হালকা দেখায়, সেটিও ভেজালের লক্ষণ হতে পারে। গুড়ের স্বাদ যদি নোনতা কিংবা তিতা লাগে, তবে সেটি নিরাপদ নয়।
এ ছাড়া গুড় ভাঙলে ভেতরে স্ফটিকের মতো দানা দেখা গেলে বুঝতে হবে কৃত্রিমভাবে মিষ্টতা বাড়ানো হয়েছে।
শীতের এই মৌসুমে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাঁটি গুড় ব্যবহারের বিকল্প নেই। তাই কেনার সময় রং, গঠন ও স্বাদ ভালোভাবে যাচাই করে প্রকৃত খেজুরের গুড় নির্বাচন করুন। সচেতন থাকলেই সুস্থ থাকা সম্ভব।
মন্তব্য করুন

