

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হেডফোন বা ইয়ারফোন এখন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন আনুষঙ্গিক যন্ত্রের মতোই হয়ে গেছে। বাসে, ট্রেনে, রাস্তাঘাটে চোখ পড়লেই দেখা যায় অনেকে কানে হেডফোন বা ইয়ারফোন গুঁজে গান শোনেন বা ফোনে কথা বলেন। কেউ তারযুক্ত ইয়ারফোন ব্যবহার করছেন, কেউ আবার ব্লুটুথ ইয়ারবাড বা হেডফোনে অভ্যস্ত। জিম, অফিস, দীর্ঘ যাত্রা কিংবা ঘুমানোর আগে প্রায় সব পরিস্থিতিতে এগুলোর ব্যবহার দেখা যায়।
তবে এই ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে নানা শঙ্কা ও প্রশ্নও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ব্লুটুথ হেডফোনের ক্ষেত্রে অনেকেই ভাবেন, কি এই ধরনের যন্ত্র থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ মস্তিষ্কে গিয়ে ক্যানসারের কারণ হতে পারে।
গবেষণা বলছে, এমন শঙ্কা বাস্তবসম্মত নয়। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এবং আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা মনে করছেন, ব্লুটুথ ডিভাইস থেকে নির্গত তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি) মানুষের শরীরের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত করে না। এক্স-রে বা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ডিএনএ ক্ষতি করে, কিন্তু ব্লুটুথের বিকিরণ এর তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী। তাই ব্লুটুথ ব্যবহার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় না।
তবে ক্যান্সারের ঝুঁকি না থাকলেও ভুল ইয়ারফোন বা হেডফোনের ভুল ব্যবহারের কারণে কিছু বিপদ হতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ শব্দে গান শোনা বা হেডফোন/ইয়ারফোন কানে গুঁজে রাখা অন্তঃকর্ণের ককলিয়া অংশে স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, যে কোনও হেডফোনই যদি ১৫ মিনিটের বেশি কানে গুঁজে রাখা হয়, তা হলে অন্তঃকর্ণের যে পরিমাণ ক্ষতি হবে, তা সহজে সারানো সম্ভব হবে না। তাই এই ধরনের হেডফোন ব্যবহার করলেও, প্রতি ২০ মিনিট অন্তর বিরতি দিতেই হবে।
মন্তব্য করুন
