

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মৌসুমি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে, তাতে বড়দের পাশাপাশি শিশুরাও মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হওয়ায় ডেঙ্গু অনেক সময় দ্রুত জটিল রূপ ধারণ করতে পারে।
ডেঙ্গু ভাইরাসের আক্রমণে শিশুদের রক্তনালি থেকে প্লাজমা লিক করা বা ফুসফুসে পানি জমার মতো মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর ফলে খুব দ্রুত শরীরে জলশূন্যতা তৈরি হয়, রক্তচাপ কমে যায় এবং প্লেটলেট দ্রুত কমতে থাকে। সময়মতো লক্ষণগুলো চিনতে না পারলে এবং চিকিৎসায় অবহেলা করলে বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর যে মারাত্মক লক্ষণগুলো অবহেলা করা যাবে না-
সাধারণ ভাইরাল জ্বরের সঙ্গে ডেঙ্গুর পার্থক্য বুঝতে কিছু বিশেষ উপসর্গের দিকে কড়া নজর রাখা দরকার:
ক্রমাগত বমি ও পেটে তীব্র ব্যথা: শিশু যদি বারবার বমি করতে থাকে এবং পেটে তীব্র ব্যথার কথা বলে, তবে সাবধান হতে হবে। জ্বরের পাশাপাশি এই লক্ষণগুলো ডেঙ্গুর জটিলতার বড় ইঙ্গিত।
রক্তপাতের লক্ষণ: নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, বমির সঙ্গে রক্ত আসা, মলের রঙ অস্বাভাবিক হওয়া কিংবা সারা শরীরে ছোট ছোট লাল র্যাশ বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
শ্বাসের সমস্যা: ফুসফুসে পানি জমে গেলে শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে, এমনকি দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হতে পারে। এমন পরিস্থিতি দেখলে দেরি না করে অবিলম্বে হাসপাতালে নিতে হবে।
প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া: ডেঙ্গুতে আক্রান্ত শিশুদের প্রস্রাবের সমস্যা একটি মারাত্মক লক্ষণ। শিশু যদি টানা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার বেশি প্রস্রাব না করে বা প্রস্রাবের পরিমাণ হঠাৎ অনেক কমে যায়, তবে সতর্ক হওয়া আবশ্যক।
হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া: শিশুর হাত ও পায়ের পাতা অস্বাভাবিক ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, ঠোঁট ও জিভ শুকিয়ে যাওয়া কিংবা বারবার অতিরিক্ত পানির তৃষ্ণা পাওয়া ডেঙ্গু শকের লক্ষণ হতে পারে।
চোখে ব্যথা: ডেঙ্গু জ্বরের অন্যতম একটি লক্ষণ হলো চোখের পেছনে বা চোখে যন্ত্রণা হওয়া। শিশু চোখে ব্যথার কথা বললেই বুঝবেন এটি সাধারণ কোনো জ্বর নয়।
অভিভাবকদের করণীয়


