

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পর্দার পেছনের আলো-ঝলমলে দুনিয়া আর অমিতাভ বচ্চনের পরিচিত হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক গভীর মানসিক লড়াই। ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র (কেবিসি) অষ্টাদশ সিজনে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এবার তেমনই এক আবেগঘন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলিউড শাহেনশাহ।
এবারের কেবিসির মূল ভাবনা ‘সোচনা পাড়েগা’ বা ‘ভাবতে হবে’। তাড়াহুড়ো না করে জীবন ও সিদ্ধান্তকে সময় দেওয়ার বার্তা নিয়ে শোটি সাজানো হলেও এর আসল আকর্ষণ প্রতিযোগীদের জীবনসংগ্রাম।
হটসিটে বসা সাধারণ মানুষের না বলা কষ্টের গল্পগুলো যখন সঞ্চালকের সামনে তুলে ধরা হয়, তখন তা শুধু একটি গেম শো থাকে না, হয়ে ওঠে মানুষের বেঁচে থাকার এক কঠিন লড়াইয়ের দলিল।
প্রতিযোগীদের এই হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতাগুলো অমিতাভ বচ্চনকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দেয়। নিজের টাম্বলার ব্লগে তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন যে, অনেক সময় নিজের চোখের জল ও আবেগ ধরে রাখা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে।
পেশাগত গোপনীয়তার কারণে নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা প্রকাশ না করলেও তিনি জানান, এমন মুহূর্তও আসে যখন মনে হয় অনুষ্ঠানটি আর এক পা-ও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
কেবল টেলিভিশন স্ক্রিন নয়, সম্প্রতি গলফ কোর্সের এক ভিডিও বার্তায়ও নিজের জীবনদর্শনের কথা তুলে ধরেছেন এই প্রবীণ অভিনেতা। অন্ধের মতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দৌড়ে না ছুটে থামতে জানা এবং ভাবার ক্ষমতা অর্জনের ওপর জোর দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, কেবিসির মঞ্চ কেবল পুরস্কার জয়ের লড়াই নয়, এটি মনস্তাত্ত্বিক ও অনুভূতির এক গভীর মেলবন্ধন।

