

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


তিনটি বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন আর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন। এবারই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট এই নির্বাচনে ভোট দিতে সকাল ৭টা থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সকাল সাড়ে সাতটা থেকে ভোট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ফজরের নামাজ শেষ করেই অনেক ভোটার কেন্দ্রের সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন।
যদিও নির্দিষ্ট সময়ের আগে ভোটাররা কেন্দ্রীয় প্রবেশ করতে পারছেন না। তবে পোলিং এজেন্টদের প্রবেশে কাগজপত্র যাচাইসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি কেন্দ্রের সামনে প্রার্থীদের অস্থায়ী বুথ থেকে ভোটার স্লিপ বিতরণ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভোট সুষ্ঠু, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। ভোর থেকেই ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোটারদের ভিড় দেখা যায়। অনেক কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ করছেন পোলিং এজেন্টরা।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে সারাদেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এ নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। নারী প্রার্থী রয়েছেন ৮৩ জন।
১৯৯১ সাল থেকে সব অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা সাধারণত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে হয়ে আসতো। এবার আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের মধ্যে। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো জামায়াতে ইসলামী জাতীয় নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার প্রায় ৬ কোটি ৪৮ লাখ, নারী ভোটার প্রায় ৬ কোটি ২৮ লাখ এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন

