

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


‘ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের যুগে গণমাধ্যমের ভূমিকা’-শিরোনামে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয় ফেব্রুয়ারির দুই তারিখে।
আলোচনার শুরু হয় অধ্যাপক বুলবুল সিদ্দিকীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে।
অধ্যাপক সিদ্দিকী তার আলোচনায় বলেন, আমরা এমন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, যেখানে তথ্যের প্রাচুর্য থাকলেও সত্যের অভাব ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং দ্রুতগতির সংবাদ পরিবেশে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন কেবল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে না-এগুলো আস্থাকে দুর্বল করছে, সামাজিক বিভাজনকে তীব্র করছে এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলছে।
এ প্রসঙ্গে ড. এস এম রেজওয়ান উল আলম একাডেমিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টিকে গভীরভাবে তুলেন এবং তিনি বলেন, সরকার ও জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে আমাদের সকলের মিডিয়া লিটারেসির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। যেখানে সরকার, জনগণ ও সিভিল সোসাইটির সকলের যুক্ততার দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুল হক বলেন, যে আমাদের সত্যকে খোঁজার প্রতি অধিক মনোযোগ দিতে হবে যাতে ভুল ও অপতথ্য না ছড়াতে পারে। ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য মোকাবেলায় আমাদের দেখার, এই লিটারেসি বৃদ্ধিকরার পাশাপাশি ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের প্রয়োজনীয়তার প্রতি তিনি জোর দেন।
সাংবাদিক ও বিশ্লেষক শাহেদ আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, সাংবাদিকতা ও এক্টিভিজমের ক্ষেত্রে আমাদের আরো দৃষ্টি দিতে হবে যেখানে সাংবাদিকতার নৈতিক ভিত্তিগুলো এক্টিভিজমে নিয়ে আসতে হবে। এর মধ্য দিয়ে তথ্যের সত্যতা যাচাই করার সুযোগ তৈরি করতে হবে, যেমন তথ্য ও ছবি যাচাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জোবায়ের বাবু বলেন, গণমাধ্যম এখন আগের মত নেই অনেকেই এই মাধ্যমকে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে যা তাদেরকে আরো বেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্ভরশীল হতে ধাবিত করছে।
আমাদের ফুটেজ, ভিডিও ও অডিও টেম্পারিং থেকে বাচঁতে হবে এবং এআই ভিত্তিক বিভ্রান্তিমূলক ভিডিও থেকে মুক্ত হতে ফ্যাক্ট চেকের সেবা বৃ্দ্ধি করতে যেখানে সরকারেরই মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে।
আলোচনার প্রধান অতিথির বক্তব্যে নর্থ সাউথ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়র ভিসি অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, সত্যের সাথে মিথ্যা মিশিয়ে তথ্য প্রচার আমাদের সমাজের জন্য একটি বড় ঝুঁকি বয়ে আনছে। আমাদের এ বিষয়কে নিয়ন্ত্রণ ও মোকাবিলার জন্য আরো বেশি পেশাজীবি তৈরি করতে হবে যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেই সামনে এগিয়ে আসতে হবে।
মন্তব্য করুন

