

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইসলামী ব্যাংকে ফ্যাসিবাদের দোসর ও এস আলমের সুবিধাভোগীকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ এবং সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করার প্রতিবাদে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুর নবী মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সহ-সভাপতি মাওলানা ফরিদুল ইসলাম, ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহীন আহমেদ খান, মোতাছিম বিল্লাহ, শামীম হাসনাইন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান, এডভোকেট আব্দুল বারী প্রমুখ।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর পলাতক খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে গ্রাহকেরা মেনে নেবে না উল্লেখ করে বক্তরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে বিদায় নিতে হবে”।
তারা বলেন, খুরশিদ আলমে ব্যাংকে ঢুকতে হলে ৩ কোটি গ্রাহকের রক্তের ওপর দিয়ে ব্যাংকে ঢুকতে হবে। ব্যাংকের গ্রাহকেরা নিজেদের আমানত রক্ষায় ব্যাংক পাহারা দিতে বাধ্য হবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার পূর্ণ দায়ভার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেই নিতে হবে।
বক্তরা আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে পতিত আওয়ামী লীগ যেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল একই ষড়যন্ত্রে নব্য ফ্যাসিবাদীরাও লিপ্ত রয়েছে। ইসলামী ব্যাংক ধ্বংস করে ব্যাংকের আমানত লুটপাট ও পাচার করার উদ্দেশ্যে পতিত আওয়ামী লীগের দোসর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর পলাতক খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তরা বলেন, এস আলমের উত্তরসূরি ‘কে আলম’ (খুরশিদ আলম) কে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না, ব্যাংকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
বক্তরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোঃ মোস্তাকুর রহমান, এস আলমের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে। বক্তরা ইসলামী ব্যাংকের এমডি ওমর ফারুকে স্ব-পদে বহাল রেখে ব্যাংকের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। বক্তরা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি যদি গ্রাহকদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরিবর্তে ব্যাংক লুটেরা ও দুর্নীতিবাজদের হাতে ব্যাংক তুলে দিতে চান, তবে গ্রাহকেরা নিজেদের আমানত রক্ষায় যা যা করার তার সবকিছুই করবে। ইসলামী ব্যাংকের শক্তি ৩ কোটি গ্রাহক, ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিকানা মালিকদের হাতেই থাকতে হবে। কোনো লুটেরাদের হাতে ইসলামী ব্যাংক তুলে দেওয়া হবে না।
