

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হত্যা, দুর্নীতিসহ বর্তমানে তিনটি মামলার আসামি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান। এসব মামলা মাথায় নিয়ে সম্প্রতি তার দেশে ফেরা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোবাইল ফোনে প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসান বলেন, একটি মহল থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে মামলার থেকে রেহাই পাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছি। তারা বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। তবে যে বা যারা টাকাটা দাবি করছে, তাদের ধারণা নেই যে কেসটা যেহেতু করে ফেলেছে, এখন চাইলেও তারা নাম ওঠাতে পারবে না; বা তারা নাম ওঠালেও পুলিশ যে ওঠাবে বিষয়টা তা না। আলটিমেটলি পুলিশের থেকেই এটার ক্লিয়ারেন্স আসতে হবে যে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।
টাকার বিনিময়ে মামলা ওঠানোর প্রস্তাবটা কারা দিল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যোগাযোগের জন্য এফআইআরে বাদীপক্ষে যার নাম ছিল, তিনি কয়েকজনের মাধ্যমে বিষয়টি পৌঁছে দেন। তবে কার মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি সাকিব।
প্রস্তাব পেয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন এমন প্রশ্নে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বলেন, এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক। হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’
দেশে ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে ফিরতে চাইলে এখনই ফিরতে পারব। তবে নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠানো পর্যন্ত আমার পক্ষে দেশে যাওয়া সম্ভব নয়। এ ছাড়া স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা তো লাগেই। মব হতে পারে, যে কোনো সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে, কত কিছুই তো হতে পারে। মানুষের কিছু রাগ থাকতেই পারে; বা কেউ ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও কিছু করতে পারে। আমি বুঝি, গ্যারান্টি দিলেও অনেক সময় অনেক কিছু ঘটে, সেটা অন্য জিনিস। তারপরও একটা আছে না যে কেউ আশ্বাস দিয়ে বলছে, বিপদ হলে দেখবে বা অন্তত আমার একটা বলার জায়গা থাকা। এটুকু অনুরোধ তো আমার থাকতেই পারে।
