

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নাসিকের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের খেলাফত মজলিসের কর্মী শাহীন হত্যা এবং ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামী আন্দোলনের নেতা বুলবুল হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খেলাফত মজলিসের বন্দর থানা শাখা।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। এর আগে সেখানে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, খেলাফত মজলিসের মহানগর সভাপতি হাফেজ কবির হোসেন।
তিনি বলেন, বন্দরে প্রচতিবাদী মানুষগুলোকে খুন করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে। যারা বুলবুলকে হত্যা করেছে, সিফাত বাহিনী, তারা আওয়ামী লীগ আমল থেকেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল। গণঅভ্যুত্থানের পরেও তাদের সেই কর্মকাণ্ড অব্যাহত ছিল।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা মানুষের ওপর জুলুম-অত্যাচার করেছে। শুধু তা-ই নয়, পুলিশের ওপর আক্রমণ করে তাদেরও পেট ফাটিয়ে দিয়েছে। অথচ পুলিশের কাছে রাষ্ট্রের এত শক্তি থাকা সত্ত্বেও কিশোর গ্যাং সিফাত বাহিনীকে ধরতে পারেনি। এত অপরাধের পরও তারা বন্দরে বসবাস করে এবং পরবর্তীতে বুলবুলকে হত্যা করা হয়।
প্রশাসনকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, যারা প্রশাসনে থেকে অবহেলা করেছে, প্রশাসনে থেকে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে, তাদের কারণে বুলবুলরা হত্যা হয়েছে। সুতরাং প্রশাসনকে ঢালাওভাবে সাজাতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনে আওয়ামী লীগের ঘাপটি মেরে যারা আছে, তাদের সরাতে হবে। তাদের না সরালে বর্তমান সরকারের যে বদনাম হচ্ছে, শুধু ওই প্রশাসনের লোকজনের কারণেই বিএনপি সরকারকে এই দুর্নাম নিতে হচ্ছে।
বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে হাফেজ কবির হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসার পরও কেন জনগণের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রশাসনকে সাজানো হচ্ছে না। কেন অবৈধ অর্থলোভীরা প্রশাসনে বসে খুনিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে জনগণের টাকায় বেতন নেবে।
তিনি আরও বলেন, সিফাত বাহিনীকে নবীগঞ্জে কারা আশ্রয় দিয়েছে এবং তার বাহিনীর সদস্যরা কোথায় কোথায় আছে, তাদের কারা প্রশ্রয় দিচ্ছে, সেগুলো পরিষ্কার হচ্ছে না। সিফাত ও আবু সাঈদ বাহিনী, যারা আওয়ামী সন্ত্রাসী, তারা বর্তমান সরকারের লোকজনের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে খুন-খারাবি চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের তদন্তের মাধ্যমে বের করার দাবি জানান তিনি।
খেলাফত মজলিসের বন্দর থানা সভাপতি হাফেজ মাওলানা ফরিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহসভাপতি অধ্যাপক শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান, মহানগর সহসাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ, সদর থানা সভাপতি খন্দকার হাফেজ আওলাদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সভাপতি নুর মোহাম্মদ খান, বন্দর উপজেলা সভাপতি মুফতী আবুল কাসেম, ফতুল্লা থানা সভাপতি আবুবকর সিদ্দিক, মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মুফতী তৌফিক বিন হারিছ, শ্রমিক মজলিসের জেলা সভাপতি ফারুক আহমদ, ইসলামী যুব মজলিসের জেলা সভাপতি রিফাত আহমদ সাজিদ, ইসলামী ছাত্র মজলিসের মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ ও জেলা সভাপতি মুহাম্মদ আনাসসহ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।



