সোমবার
০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভৈরবে পুলিশের হাত থেকে সাবেক কাউন্সিলরকে ছিনিয়ে নিল কর্মীরা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
ভৈরবের কাউন্সিলর
expand
ভৈরবের কাউন্সিলর

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের হাত থেকে সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী সোহাগকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে সোহাগসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০–১৫ জনকে আসামি করে মোট ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

ভৈরব থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে ভৈরব থানার এসআই শাহাদাত হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে এসআই শাহাদাত হোসেন কিলো-৯ এলাকায় ডিউটি পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন গাছতলাঘাট মাছ বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর সোহাগ ও তাঁর অনুসারীরা অবস্থান করছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক মামলার আসামি হওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এসআই শাহাদাতের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে সোহাগ কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করা হলে তাঁর অনুসারীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় হামলায় এসআই শাহাদাত হোসেন, এসআই আসিবুল হক ভূঁইয়া ও এসআই জহুরুল ইসলাম আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেনঃ গাছতলাঘাট এলাকার সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী সোহাগ (৪৭), তাঁর স্ত্রী শামীমা আক্তার (৩৫), মো. উজ্জ্বল মিয়া (২৭), উজ্জ্বল মিয়া (২২), ফরহাদ মিয়া (২৭), নাদিম মিয়া (২৩), রাকিব ওরফে চাতমী রাকিব (২৪), জনি মিয়া (২৩), কায়েফ (২০) ও সুমন মিয়া (৪৫)।

এ বিষয়ে এসআই শাহাদাত হোসেন বলেন, সোহাগ কাউন্সিলর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুটি মামলার আসামি। তাঁকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমিসহ আরও দুইজন এসআই আহত হই।

ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতাউর রহমান আকন্দ জানান, ভৈরবে ‘ডেভিল হান্ট অপারেশন ফেইজ-২’ চলমান রয়েছে। সোহাগ কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত বিভিন্ন হামলার ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের কাজে বাধা ও হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X