

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী আল-আমিন হোসেন (২৯) হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি সফিয়ার রহমান টুটুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে তার দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে যশোরের কোতয়ালী থানাধীন চূড়ামনকাটি এলাকা থেকে সফিয়ার রহমান টুটুলকে (২৮) গ্রেপ্তার করে পিবিআই যশোরের একটি দল।
পরে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাজিরশংকরপুর গ্রামের কোল্ড স্টোরেজের পেছনে একটি আধাপাকা বাড়ির পূর্ব পাশের জানালার সানশেডের ওপর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত চাকুটি উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই সূত্র জানায়, গত ২০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব বারান্দীপাড়ার মাঠপাড়ার বাসিন্দা ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী আল-আমিন হোসেন দোকান থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে লিচুতলা মাদ্রাসার পেছনে একটি মেহগনি বাগানে ফেলে রেখে যায়। পরে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে তার মা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করেন। ২১ আগস্ট দায়ের করা মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা রুজু হয়। পরবর্তীতে পিবিআই যশোর স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২৬ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গোলাম রসুল (৩০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে পিবিআই।
এরপর পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. মোস্তফা কামালের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং পিবিআই যশোর জেলার পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টুটুলের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআই জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টুটুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। মামলার তদন্তও চলমান রয়েছে।


