

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোর, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার একাধিক মানুষের কাছ থেকে লোন ও চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীরা জানান, যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের সদুল্যাপুর গ্রামের মুনসুর আলীর মেয়ে মাহমুদা জামান ওরফে মাহমুদা বর্তমানে ঢাকার লালবাগ থানার চকবাজার দ্বিগুবাগ লেনে বসবাস করেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মাহমুদা জামান নিজেকে কখনো ব্যাংক কর্মকর্তা, কখনো এনজিওর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আবার কখনো সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে স্বল্প সুদে এনজিও থেকে বড় অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়া, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ এবং স্বাক্ষর করা একাধিক ব্ল্যাঙ্ক চেক নেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিভিন্ন সময় যশোরের ইন্নাতুল হাসান, দীপু খাতুন, শুকুর আলী, আল আমিন হোসেন, ইমরান হোসেন, সোহান হোসেন, রমজান, সাইদুর রহমান রিপন, হাবিবুর রহমান, তানজিনা রহমানসহ আরও অনেকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা ও ব্যাংকের ফাঁকা চেক নেওয়া হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, ইন্নাতুল হাসানের কাছ থেকে বসতবাড়ি তৈরির জন্য বড় অঙ্কের ঋণ ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং তিনটি স্বাক্ষরিত ব্যাংক চেক নেওয়া হয়। দীপু খাতুনের কাছ থেকে একটি এনজিওতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে দুই দফায় ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজনের কাছ থেকে ২ লাখ থেকে শুরু করে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ এবং একাধিক ব্ল্যাঙ্ক চেক নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা গরিব পরিবারের মানুষ। কেউ জমি বন্ধক রেখে, কেউ আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার করে টাকা জোগাড় করে মাহমুদাকে দিয়েছি। এখন সে টাকা ও স্বাক্ষরিত চেক ফেরত না পেলে আমরা পথে বসে যাব।
মন্তব্য করুন