

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোরের বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। এই মামলায় সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগে শাহিন কাজী (২৫) নামে আরও এক সহযোগীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে নিজের ভূমিকার কথা স্বীকার করায় তদন্তে বড় অগ্রগতি এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে যশোর শহরের লোন অফিস পাড়া এলাকা থেকে শাহিন কাজীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরদিন মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আটক শাহিন কাজী যশোর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁচড়া রায়পাড়া (তুলোতলা মোড়) এলাকার বাসিন্দা কিসলু কাজীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সদর ফাঁড়ির উল্টো পাশে লোন অফিস পাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী বাসেদ আলী পরশ এবং তার সহযোগী আসাবুল ইসলাম সাগর রিমান্ডে থাকাকালে শাহিন কাজীর নাম প্রকাশ করেন। একইভাবে গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার হওয়া মূল শুটার ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুকও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে শাহিনের সম্পৃক্ততার কথা জানান। এসব তথ্য যাচাই করে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে ডিবি পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহিন কাজী ভাড়াটে খুনি ও পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা, সমন্বয় এবং ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার কাজে যুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই চাঞ্চল্যকর মামলায় এ পর্যন্ত নিহতের জামাই পরশ, সহযোগী সাগর, মূল শুটার ত্রিদিব এবং সর্বশেষ শাহিন কাজীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই অলক কুমার দে জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন
