

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজীপুরের টঙ্গীতে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর পিতা-পুত্র হত্যার ঘটনায় মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আটক বড় ছেলে সাইফুর রহমান সোহানের স্বীকারোক্তিতে বেরিয়ে এসেছে লোমহর্ষক তথ্য। পরে তাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোহান তার আপন খালাতো বোনকে পছন্দ করতেন এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাবার্তাও চলছিল। কিন্তু এ সময় তার ছোট ভাই সাকিবের সঙ্গে ওই খালাতো বোনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে গত শনিবার রাতে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এরপর রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে সোহান পরিকল্পিতভাবে তার ছোট ভাই সাকিবকে হত্যা করে। সে প্রথমে সাকিবের হাত-পা বেঁধে মুখে কাপড় গুঁজে দেয়। পরে ধারালো ব্লেড দিয়ে তার হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর খাট থেকে নামিয়ে হাত-পায়ের বাঁধন খুলে ফেলে।
এদিকে, পাশের কক্ষে থাকা তাদের বাবা সোহেল দর্জি ঘটনাটি দেখে ফেললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে ঘর থেকে বের করে বনমালা রেললাইনের পাশে বসিয়ে রাখে সোহান। সে সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকায় সোহেল দর্জি সরে যেতে পারেননি। পরবর্তীতে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় তিনি নিহত হন।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুর রহমান সোহান প্রাথমিকভাবে তার বাবা ও ভাইকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, রোববার ভোরে টঙ্গীর উত্তর বনমালা রোডের নিজ বাসা থেকে সাকিবুর রহমান শোয়েবের লাশ এবং বনমালা রেললাইন এলাকা থেকে সোহেল দর্জির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন