

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগে ঢাকার কেরানীগঞ্জের তানাকা পেট্রোল পাম্পের একাধিক ডিসপেন্সিং ইউনিট বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই। তবে বিএসটিআইয়ের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই বন্ধ করা ইউনিট থেকে ফের জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
জ্বালানি তেল বিক্রিতে পরিমাণে কম দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি তানাকা পেট্রোল পাম্পে অভিযান চালায় বিএসটিআই ঢাকা কার্যালয়ের একটি দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিদর্শক হাসিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পাম্পটির ডিসপেন্সিং ইউনিটগুলোর পরিমাপক যন্ত্র পরীক্ষা করা হয়।
অভিযানে নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় কম তেল দেওয়ার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায় বিএসটিআই। পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপি ও আইন লঙ্ঘনের সত্যতা পাওয়ায় ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ এর ১৫(৩) ধারা অনুযায়ী পাম্পটির দুটি ডিসপেন্সিং ইউনিটের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বিএসটিআই জানায়, ভোক্তাদের স্বার্থ ও সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযানের সময় পাম্প কর্তৃপক্ষকে বন্ধ করা ইউনিট ব্যবহার না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনাকারী বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক হাসিবুর রহমান বলেন, জনস্বার্থে এবং ভোক্তা অধিকার রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। কোনো পাম্পে ডিজিটাল মিটারে কারচুপি কিংবা পরিমাণে কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় বিএসটিআইয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তবে বিএসটিআইয়ের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার পরও বন্ধ করা ইউনিট ব্যবহার করে তেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রশ্ন উঠেছে, বিএসটিআইয়ের নির্দেশনা অমান্য করে কীভাবে পাম্পটিতে তেল বিক্রি চলছে।

