

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুমিল্লা নগরীতে কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে র্যাব।
সংস্থাটি জানিয়েছে, সোমবার ( ২৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে র্যাবের পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, বহুল আলোচিত এই ‘ক্লুলেস’ হত্যাকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হবে। একই সঙ্গে পুলিশ, র্যাব, ডিবি, সিআইডি ও পিবিআই সমন্বিতভাবে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী বাসে করে কুমিল্লায় পৌঁছে নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় নামেন বুলেট বৈরাগী। রাত ২টা ২৫ মিনিটে পরিবারের সঙ্গে তাঁর শেষবারের মতো কথা হয়। এরপরই তাঁর মোবাইল ফোন দুর্বৃত্তদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তাঁর মোবাইল ফোনের অবস্থান পাওয়া যায় চৌয়ারা এলাকায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই এলাকাতেই তাঁকে ছিনতাইয়ের পর হত্যা করা হয়। পরে দুর্বৃত্তরা তাঁর মরদেহ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের সামনে ফেলে রেখে যায়।
র্যাবের কুমিল্লা ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রেস ব্রিফিংয়ে তুলে ধরা হবে।
নিহত বুলেট বৈরাগীর বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তিনি ৪১তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে দেড় বছর আগে চাকরিতে যোগ দেন। সর্বশেষ তিনি কুমিল্লার বিবির বাজার স্থল বন্দরে কর্মরত ছিলেন। পরিবার নিয়ে তিনি নগরীর রাজাগঞ্জ পানপট্টি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
শনিবার সকালে সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশ থেকে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা নীলিমা বৈরাগী শনিবার রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মন্তব্য করুন