

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের খাগাতুয়া বলিয়ারা গ্রামে র্যাব-৯ এর সিপিসি-১ এর সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর এবং প্রায় চার ঘণ্টা একটি বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে কুখ্যাত সন্ত্রাসী সফিক ওরফে চুরা সফিক ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে।
র্যাব সিপিসি-৯ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১১ মে) দুপুর ৩ টার দিকে বাঞ্ছারামপুরের দুর্গারামপুর সেতুর পূর্ব পাশে একটি তথ্য সংগ্রহ অভিযানে যাওয়ার পথে র্যাব সিপিসি-১ এর চার সদস্য শর্টকাট হিসেবে খাগাতুয়া-মাজিয়ারা সড়ক ব্যবহার করেন। পথিমধ্যে খাগাতুয়া গ্রামে প্রবেশ করলে চুরা সফিক ও তার সহযোগীরা তাদের গতিরোধ করে। পরিচয় দেওয়ার পরই র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।
ঘটনার সময় সার্জেন্ট ফারুক কোনোভাবে স্থান ত্যাগ করতে সক্ষম হলেও হাবিলদার এ কে এম রাশেদ মোশারফ (বিজিবি), কনস্টেবল মো. কাজল মিয়া ও কনস্টেবল মো. আব্দুল মালেককে আটক করে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে তাদের একটি বাড়িতে নিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে খবর পেয়ে র্যাব সিপিসি-৯ এর একটি দল ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে। পরবর্তীতে পুলিশের সহায়তায় অবরুদ্ধ তিন র্যাব সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। আহতদের নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
র্যাব-৯ সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার মো: নূর নবী জানান, “আমাদের সদস্যরা নবীনগর–বাঞ্ছারামপুর এলাকায় তথ্য সংগ্রহের জন্য খাগাতুয়া গ্রামে গেলে সন্ত্রাসী শফিক ডাকাত ও তার দল তাদের গতিরোধ করে হামলা চালায়। এতে তিনজন সদস্য আহত হন। দুজনের হাত ভেঙে গেছে এবং একজনের মাথায় কুপ লেগেছে।”
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, চুরা সফিক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে একাধিকবার পুলিশের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ রয়েছে। হত্যা, চুরি, হামলা ও ভাঙচুরসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবেও সে এলাকায় পরিচিত।ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।