রবিবার
২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, প্রধান শিক্ষককে পুলিশে দিল অভিভাবকরা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, প্রধান শিক্ষককে পুলিশে দিল অভিভাবকরা
expand
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, প্রধান শিক্ষককে পুলিশে দিল অভিভাবকরা

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হবিবর রহমানকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে অভিভাবক ও স্থানীয়রা। আটক হবিববর রহমান জেলার বোদা উপজেলার বেংহারী সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ।

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, রবিবার সকাল ৯ টায় চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বোনকে বিদ্যালয়ে পৌছে দিতে গেলে প্রধান শিক্ষক হবিবর রহমান তাকে দোতলায় গিয়ে শিশুদের পড়া দেখিয়ে দিতে বলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি দোতলায় গিয়ে ওই ছাত্রীকে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করে। পরে সেখান থেকে বাড়ি গিয়ে বাবা মাকে বিষয়টি জানায় ওই ছাত্রী। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো এলাকার মানুষ ক্ষুব্দ হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে উত্তম মাধ্যমে দেয়। পরে তাকে অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে রেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়।

সকাল থেকে তাকে অফিস কক্ষে প্রায় ৫ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয়রা। বিকেলে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, বোদা থানার ওসি সোয়েল রানা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌছে সবার কথা শোনেন। স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে বহিষ্কার ও বিচার দাবি করেন। একই সাথে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদেরও বদলি করার দাবি জানান তারা। জনসম্মুখে তাদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এক পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশসহ ওই প্রধান শিক্ষককে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, এই শিক্ষক আগেও ছাত্রীদের সাথে এমন করেছে। আজ আমার মেয়েকে যৌন হয়রানি করেছে। তাকে এমন শাস্তি দিন যাতে আর কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।

বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। তাকে বহিস্কার ও অন্য শিক্ষকদেরও বদলির প্রক্রিয়া চলছে।

বোদা থানার ওসি সোয়েল রানা বলেন, ওই প্রধান শিক্ষককে জনরোষ থেকে আমরা উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন