

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুমিল্লা নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে টানা তিন দিন ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই উত্তেজনা শনিবার বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এক মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হেলমেট পরা কয়েকজন তরুণ প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়ছেন। কারও হাতে ধারালো অস্ত্র, আবার একজনকে গুলি ছুড়তেও দেখা যায়। ছোড়া ইট-পাটকেল আশপাশের দোকানপাট ও বসতবাড়িতে আঘাত হেনে কাচ ভাঙার শব্দ শোনা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দক্ষিণ চর্থার থিরাপুকুর পাড় ও জিনাপুকুর পাড়—এই দুই এলাকার তরুণদের মধ্যে কথাকাটাকাটি থেকে বিরোধের সূত্রপাত। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর হলে সাধারণ মানুষও এতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ ‘নয়ন গ্রুপ’ ও ‘স্বপন গ্রুপ’ নামে বিভক্ত হয়ে পড়ে। দফায় দফায় হামলা, পাল্টা ধাওয়া ও গুলির ঘটনায় দুই পুকুরপাড় এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এক পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মন্তব্য করুন