

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির অভিযোগ তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির জিয়া পরিষদের কর্মকর্তা ইউনিট। সংগঠনটির সহ-সভাপতি ও উপাচার্য দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. শাহজালালকে ব্যাখ্যা দিতে দেওয়া এক চিঠিতে এ অভিযোগ করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে (১৩ মার্চ) জিয়া পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক কে. এম. শাহাদাত হোসেন মিয়ার সই করা ওই চিঠিতে বলা হয়, উপাচার্য কাজী রফিকুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করছেন। নিজের মতাদর্শের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তিনি নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
চিঠিতে উপাচার্যকে জামায়াতপন্থী বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, তাঁর এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন জিয়া পরিষদের কর্মকর্তা ইউনিটের সদস্যরা।
সম্প্রতি সংগঠনটির সহসভাপতি ও উপাচার্য দপ্তরের কর্মকর্তা মো. শাহজালালের স্বাক্ষরিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠানো একটি ‘বেআইনি শোকজ’ চিঠিকে কেন্দ্র করে শিক্ষক–শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এতে সংগঠনের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার অনুষ্ঠিত সংগঠনের এক অনলাইন সাধারণ সভায় মো. শাহজালালের বরাত দিয়ে বলা হয়, তাঁর সম্মতি ছাড়াই স্ক্যান করা স্বাক্ষর ব্যবহার করে ওই শোকজ চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। এ ঘটনায় আগামী ১৬ মার্চের মধ্যে তাঁকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমি শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করা একজন বিএনপিপন্থী মানুষ। কোনোভাবেই জামায়াতপন্থী নই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
মন্তব্য করুন