সোমবার
১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনা: কারণ অনুসন্ধানে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি

বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
সড়ক দুর্ঘটনা
expand
সড়ক দুর্ঘটনা

বাগেরহাটের রামপালে দূর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধ্যানে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিনকে প্রধান করে এই কমিটি করা হয়। কমিটির আর দুই সদস্য হলেন, বিআরটিএ, বাগেরহাটের সহকারি পরিচালক লায়লাতুল মাওয়া, জেলা পুলিশের নবম গ্রেডের সমমর্যাদার একজন কর্মকর্তা।

তিন সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি মর্মান্তিক দূর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নত করবে। সেই সাথে দূর্ঘটনারোধে করনীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে। যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রদিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দূর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধ্যানে একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিবে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, নিহতদের প্রতি পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা সহযোগিতা করা হবে। বর ও কনের দাফনের জন্য ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া বিআরটিএ দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত আর্থিক সহায়তা তহবিলসহ অন্যান্য সহযোগিতা নিয়ম অনুযায়ী পাবেন দূর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা-মোংলা মাসহড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়। বর-কনেসহ ১৪ জনের মরদেহ পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহতরা হলেন বর আহাদুর রহমান ছাব্বির, তাঁর বাবা আব্দুর রাজ্জাক, বরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, তাঁর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ভাই আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, তাদের ছেলে আলিফ, আরফা, ইরাম। কনে মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তাঁর ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম এবং মাইক্রোবাস চালক নাঈম।

মাইক্রোবাস চালক নাইমের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালি ইউনিয়নের সিংগেরবুনিয়া গ্রামের। শুক্রবার জুমআর আগে গ্রামের বাড়িতে তার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

জুমআবাদ মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে রাজ্জাকসহ তার পরিবারের ৯ সদদ্যের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে মোংলা কবর স্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। কনে মিতুসহ তার পরিবারের চারজনের দাফন কয়রা এলাকায় সম্পন্ন হয়েছে।

বর ছাব্বিরের মোংলা শহরে মোবাইলের দোকান ছিল। কনে মিতু কয়রার নাকসা আলিম মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন