

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট রমজানের মাঝে অথবা ঈদের পরে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
এ ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলো সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে নেতৃত্ব নিয়ে চলছে আলোচনা। বিএনপির পক্ষ থেকে সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে ত্যাগী ও দলের সঙ্গে সম্পৃক্তদের বেছে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বিএনপি ও দলটির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক ত্যাগী নারী নেত্রীরা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে ২০৯টি আসনে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিএনপি। সে অনুযায়ী আসন অনুপাতে সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে ৩৫টি আসন পাচ্ছে দলটি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নে সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, জনগ্রহণযোগ্যতা এবং এলাকার উন্নয়নে কাজের সম্ভাবনাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করার আগে জেলা ও তৃণমূলের মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে আসা নারী নেত্রীদের মনোনয়ন দিলে প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
নির্বাচন কমিশন সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতির আভাস দেওয়ার পরেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
এদের মধ্যে উত্তরের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুইবারের সাবেক মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান মোসাঃ সায়মা খাতুন এর নাম।
দীর্ঘদিন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক জীবনে মোসাঃ সায়মা বেগম দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি শিবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছেন।
সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সায়মা বেগম বলেন, ১/১১ সরকারের সময় থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছি। আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়ে মাসের পর মাস কারাগারে বন্দি ছিলাম।
শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণেই বিভিন্ন সময় মামলার আসামি হতে হয় আমাকে। রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে জনসাধারণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছি। আমাকে মনোনয়ন দিলে দলের আদর্শ বাস্তবায়ন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন