

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের ঘোষিত প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান ‘ট্রু প্রমিজ ৪’-এর প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জনের বেশি মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা ও সদস্য নিহত বা আহত হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও নৌযান লক্ষ্য করে চালানো হামলায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েইনি বলেন, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সদরদপ্তর ও কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, এ হামলার পর মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ ইরানের উপকূলীয় এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নায়েইনির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দুই দিনেই ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এ তথ্য অস্বীকার বা গোপন করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে ইরানের গোয়েন্দা তথ্য ও যুদ্ধক্ষেত্রের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এ সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
মুখপাত্র জানান, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর একাধিকবার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। একটি হামলায় ১৬০ মার্কিন সদস্য হতাহত হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। এছাড়া ইরানি নৌবাহিনীর নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি মার্কিন সহায়তা জাহাজ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নায়েইনি আরও বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। তার দাবি, হামলার পর রণতরীটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সরে যায়।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আগ্রাসনের জবাব হিসেবে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’ পরিচালনা করা হচ্ছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
মন্তব্য করুন