

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান আমল হলো দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ। সাধারণ ফরজ নামাজের মতো ঈদের নামাজেও কখনো রাকাত ছুটে যেতে পারে। তবে এর জন্য ইসলামিক শাস্ত্র অনুযায়ী যথাযথ নিয়ম আছে।
নামাজ আদায়ের সময় কেউ যদি বিলম্বিতভাবে ইমামের সাথে প্রথম রাকাতের কেরাতে যোগ দেন, তাহলে প্রথমে তাকবিরে তাহরিমা ও অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলে ইমামের অনুসরণ করবেন (মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৫৭১৪)।
যদি দেরিতে কেউ ইমামকে রুকুতে পায়, তবে দাঁড়িয়ে অতিরিক্ত তাকবির দিয়ে ইমামের সঙ্গে রুকুতে ধরার চেষ্টা করবেন, যদি সম্ভব হয়। নাহলে শুধু তাকবিরে তাহরিমা বলে রুকুতে চলে যান এবং রুকুতে গিয়ে হাত না উঁচু করে অতিরিক্ত তাকবিরগুলো পড়বেন। সময় থাকলে রুকুর তাসবিহও পড়া যেতে পারে (আলবাহরুর রায়েক: ১/১৬১)।
যদি কেউ দ্বিতীয় রাকাতে ইমামের সঙ্গে শরীক হন, তাহলে ইমাম সালাম ফেরানোর পর দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা ও কেরাত পড়বেন এবং রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তাকবির বলবেন (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ৫৮১৩)।
আর যদি কেউ দ্বিতীয় রাকাতের রুকু বা তাশাহুদের পর জামাতে যোগ দেন, তাহলে ইমাম সালাম ফেরানোর পর দাঁড়িয়ে প্রথমে অতিরিক্ত তাকবির বলবেন। এরপর সূরা কেরাত পড়া হবে, রুকু ও সেজদা আদায় করা হবে। এটি তার প্রথম রাকাত সম্পূর্ণ করবে। এরপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় রাকাতের সূরা কেরাত পড়বেন, অতিরিক্ত তাকবির বলবেন, রুকু ও সেজদা শেষ করে নামাজ সম্পন্ন করবেন (ফাতাওয়া খানিয়া: ১/১৮৫)।
ঈদের নামাজের রাকাত ছুটে যাওয়া অনেকের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিব্রতকর বিষয়। এতে কেউ কখনো শঙ্কা করতে পারেন যে সারা মাসের ইবাদত কবুল হয়েছে কি না। তবে ইসলামিক শাস্ত্র অনুযায়ী, ঈদের নামাজের রাকাতের অভাব সারা মাসের রোজা ও ইবাদতের কবুল হওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত নয়।
মন্তব্য করুন
