

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সাত দিন পর গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশ অনুযায়ী, ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামকে গোয়ালন্দঘাট থানা থেকে সরিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অপরাধ শাখায় পুলিশ পরিদর্শক (ক্রাইম) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বালিয়াকান্দি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গোয়ালন্দঘাট থানার নতুন ওসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শরীফ আল রাজীব বলেন, দাপ্তরিক প্রয়োজনে এই বদলি করা হয়েছে। এটি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়।
গত ৫ সেপ্টেম্বর জুমার নামাজের পর ‘ঈমান-আকিদা রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে বিক্ষুব্ধ জনতা গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা চালায়। এ সময় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে শতাধিক মানুষ আহত হন এবং নুরাল পাগলার এক অনুসারী রাসেল মোল্লা নিহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেলে পুলিশের ওপরও হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং পুলিশের ১০–১২ জন সদস্য আহত হন। পরে নুরাল পাগলার কবর থেকে মরদেহ তুলে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা।
ওই রাতেই গোয়ালন্দঘাট থানার এসআই সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া নিহত রাসেল মোল্লার বাবা আজাদ মোল্লা ৮ সেপ্টেম্বর রাতে আরেকটি মামলা করেন। সেখানে অজ্ঞাতনামা সাড়ে তিন থেকে চার হাজার জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন
