সোমবার
০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বীকৃতি

কমনওয়েলথ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শাসন ও বিনয় প্রশংসিত

এনপিবিনিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে ২৬তম কমনওয়েলথ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এই সম্মেলনে ৫৬টি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রতিনিধি দলে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও অন্যান্য কর্মকর্তা ছিলেন।বাংলাদেশ সংবাদ বিশ্লেষণ

স্থানীয় সময় রোববার ( ৮ মার্চ) লন্ডনের ল্যাঙ্কাস্টার হাউসে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ও বিকালে দুই অধিবেশনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল চলতি বছরের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথ প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের জন্য আলোচনার এজেন্ডা ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার গুরুত্ব, বিশ্বে চলমান জটিল পরিস্থিতি এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সকালের অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি দেশের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের কথা তুলে ধরে বলেন, “কমনওয়েলথ সম্মেলনে বাংলাদেশের জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি গর্বিত।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনীতিতে অসাধারণ বিনয় ও শাসনব্যবস্থায় উদ্ভাবনী চিন্তাধারার মাধ্যমে কমনওয়েলথে সুশাসনের মূল্যবোধকে আরও সুদৃঢ় করছেন। নির্বাচনের পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানো কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলকে ধন্যবাদ জানান। পর্যবেক্ষক দল প্রায় ১৩ মিলিয়ন ভোটারের অংশগ্রহণে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় প্রশংসা করে।

বিকালের অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রায় এক দশক ধরে আশ্রয়প্রাপ্ত ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার অবস্থা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক অংশগ্রহণ জরুরি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার, কানাডার পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি রবার্ট অলিফ্যান্ট, দক্ষিণ আফ্রিকার উপমন্ত্রী অ্যালভিন বোটস, অ্যান্টিগুয়া ও বারমুডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ই. পি. চেট গ্রিন এবং ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যামুয়েল ওকুদজেতো আব্লাকওয়ার সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার জন্য সমর্থন কামনা করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের কূটনৈতিক নেতৃত্ব ও মানবিক দায়িত্ববোধকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, যা দেশটির রাজনীতিতে বিনয় ও মূল্যবোধের গুরুত্বকে আরও সুস্পষ্ট করেছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন