

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শিশু রামিসা হত্যাকারীর কঠোর ও প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্ত্বরে এলাকা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে যোগ দিয়েছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ।
শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিবাদ-মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিক্ষুব্ধ জনতা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ ও ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগান দেন। তাদের কণ্ঠে ছিল, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’, ‘ফাঁসি চাই’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ৭ দিন নয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। দেশে বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে এ ধরনের নৃশংস ঘটনা বারবার ঘটছে। সাজা নিশ্চিত করা না গেলে, সমাজে অপরাধ প্রবণতা বাড়তেই থাকবে বলে শঙ্কা জানান তারা।
সড়ক অবরোধের সত্যতা নিশ্চিত করে মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, স্থানীয় জনতা মিরপুর ১০ নম্বরে সড়কে অবস্থান নিয়েছে। শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে আসামিদের বিচারের দাবিতে দুপুর ১২টার দিক থেকে তারা সড়কের একপাশে অবস্থান নিয়ে আছেন। আমরা একটা সাইড দিয়ে এক লেনে গাড়িগুলো পাস করে দিচ্ছি। এখন যানবাহন চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক আছে।
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার (৭) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।
এ ঘটনায় প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা।
