

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা শতভাগ প্রমাণিত হলেও মাঠপর্যায়ে এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
তিনি বলেন, দক্ষতা ও সমন্বয়ের ঘাটতি দূর করতে মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আমাদের মশক নিধনে ব্যবহৃত লিকুইড ম্যালাথিয়ন ও টেমিফস ওষুধের কার্যকারিতা আইইডিসিআর এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরীক্ষায় শতভাগ সফল প্রমাণিত হয়েছে। ওষুধের এই কার্যকারিতার সুফল নগরবাসীকে দিতে হলে মাঠপর্যায়ে এর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্যই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন।
তিনি আরও বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজে লাগিয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিকে সফল করতে হবে।
ডিএসসিসি সূত্র জানায়, সংস্থাটির ১০টি অঞ্চলের মোট ১ হাজার ৫০ জন মশক সুপারভাইজার ও মশককর্মীর জন্য পাঁচটি ব্যাচে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে মশার জীবনচক্র, প্রজাতি শনাক্তকরণ, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ, কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবহার এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি পরিচালনার বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ডিএসসিসি এলাকায় প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং বিকাল ৪টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চিহ্নিত ‘হটস্পট’ এলাকায় সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম এবং সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন