

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশজুড়ে কেনাকাটাকে আরও সহজ, দ্রুত আর নির্ভরযোগ্য করতে পাঠাও নিয়ে এলো ইন-অ্যাপ শপিং প্ল্যাটফর্ম পাঠাও শপ। পপুলার সব ব্র্যান্ড, ভেরিফাইড সেলার আর দেশব্যাপী ফাস্ট ডেলিভারির সাথে কেনাকাটার এক দারুণ এক্সপেরিয়েন্স এখন পাওয়া যাবে পাঠাও অ্যাপেই।
পাঠাও সুপার অ্যাপের এই নতুন ফিচারে লাইফস্টাইল থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যই পাবেন এক জায়গায়। অটোমোটিভ, গ্যাজেট, গ্রোসারি, হেলথ এবং স্কিনকেয়ার থেকে শুরু করে হোম অ্যান্ড লিভিং কিংবা পেট কেয়ার, সবই এখন হাতের নাগালে।
প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করাই পাঠাও’র লক্ষ্য। সেই ধারাবাহিকতায়, টপ ব্র্যান্ডস, ভেরিফাইড সেলারস, নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি সেবার মাধ্যমে পাঠাও শপ দেশজুড়ে ইউজারদের জন্য আরও সহজ, নিরাপদ ও ট্রাস্টেড শপিং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করতে চায়।
পাঠাও শপ-এ পাচ্ছেন অথেনটিক ব্র্যান্ডের সব পণ্য সরাসরি ভেরিফাইড সেলারদের কাছ থেকে, যা দেশজুড়ে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ডেলিভারির মাধ্যমে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায়। এখানে এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ডের পণ্যে থাকছে ৬০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট, আর নতুন ইউজারদের জন্য প্রথম অর্ডারে থাকছে আকর্ষণীয় ৫০% ডিসকাউন্ট! এছাড়া কেনাকাটা শেষে পাঠাও পে-তে পেমেন্ট করলেই এক্সট্রা ১০% ডিসকাউন্ট হিসেবে ১০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন।
পাঠাও শপ থেকে অর্ডার করার নিয়ম:
ব্যাস! এখন পছন্দের ব্র্যান্ডের কেনাকাটা হবে নন-স্টপ, আর পাঠাও পৌঁছে দেবে দেশের যেকোনো প্রান্তে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি আর লজিস্টিকসের পর ‘পাঠাও শপ’ চালুর মাধ্যমে পাঠাও এখন আপনার প্রতিদিনের সব প্রয়োজনের কমপ্লিট সলিউশন।
পাঠাও শপ চালুর মাধ্যমে, পাঠাও এখন পুরোপুরি একটি সুপার অ্যাপ হয়ে উঠেছে। যাতায়াত, ডেলিভারি, ফুড কিংবা শপিং, সবকিছুই এখন এক প্ল্যাটফর্মেই। প্রতিদিনের সবধরনের প্রয়োজন মিটিয়ে জীবনকে সহজ করতে পাঠাও এখন আপনার নিত্যদিনের সঙ্গী। সেরা সব ব্র্যান্ড, নির্ভরযো ডেলিভারি লজিস্টিকস আর অল ইন ওয়ান ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স, সবকিছুর সমন্বয়ে একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৪ লাখ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১৫ হাজার রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৬ লাখের বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
মন্তব্য করুন

