শনিবার
২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা, ডিবির হাতে গ্রেফতার প্রতারক 

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) সহ সাংবাদিক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪৬) কে গ্রেফতার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম এ তথ্য জানান। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালো উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেফতার আব্দুল্লাহ আল মামুন মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার উলাইল গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। বর্তমানে তিনি ঢাকার সাভারের জালেশ্বর এলাকার রাঢ়ীবাড়ী বি-ব্লক ২/৯ নম্বর বাসায় বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাট ব্যবসার নামে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে নানা ধরনের প্রতারণা করে আসছিলেন মামুন। এছাড়াও নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব, সাংবাদিক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, নিয়োগ বাণিজ্য এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।

জানা যায়, গত ১৮ মে তিনি তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ফোন করে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে পরিচয় দেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ জানতে পেরে ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১১টার দিকে সাভারের জালেশ্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন, ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়পত্র, ‘প্রেস’ লেখা একটি জিপ গাড়ি, ‘আইনজীবী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট’ সম্বলিত লিফলেট এবং জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিলের ফটোকপি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, সে প্রতারণার কাজে বিশেষ একটি মোবাইল ব্যবহার করতো এবং সে দীর্ঘদিন যাবত এই ধরনের প্রতারণার কাজে জড়িত ছিলো। তার বিরুদ্ধে পূর্বে চেক জালিয়াতিসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন