

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বেরিবাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কৃষক ও জনসাধারণের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে অসহায় ভুক্তভোগী বৌয়ালিয়া-চাতল কৃষকবৃন্দ ব্যনারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, বেরিবাঁধ নির্মাণের নামে কৃষকদের জমি অধিগ্রহণ করেনি সরকার এবং প্রকৃত মালিকদের যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি এবং ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়নি। তারা বলেন, এভাবে নির্মাণ কার্যক্রম এগোলে কৃষকদের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিপন্ন হবে।
মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন,জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নেতা শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র শিবির তাড়াইল উপজেলা শাখার সভাপতি নাঈম ভূঁইয়া,মাওলানা হাবিবুর রহমান,হাছলা গ্রামের ভূক্তভোগী কৃষক বুরুজ মিয়া,বাচ্চু মিয়া,সুলতান উদ্দিন ভূইয়া, শাহাব উদ্দিন প্রমূখ।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করেন। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল— জমি আমার, আমাকে না জানিয়ে কেন বেরিবাঁধ?, “বেরিবাঁধ নামে কৃষকের সর্বনাশ করা হচ্ছে”
উল্লেখ্য, ক্ষতিগ্রস্ত দামিহা মৌজার জমির মালিকগণ জেলা প্রশাসক, কিশোরগঞ্জ বরাবরে একটি দরখাস্ত দাখিল করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন, যদি জোরপূর্বক বেরিবাঁধ নির্মাণ করা হয়, তাহলে হাছলা, নগরকূল, বেলংকা, বোরগাঁও ও গজারিয়া গ্রামের ৭০-৮০টি পরিবার প্রায় ২০০-২৫০ একর জমি জলাশয়ে পরিণত হবে এবং আনুমানিক ২২,০০০ থেকে ২৫,০০০ মন ধানের ক্ষতি হবে। দরখাস্তে তারা বিনীতভাবে জোরপূর্বক বেরিবাঁধ নির্মাণ কাজ ততক্ষণাৎ স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
বক্তারা আরও বলেন, জমি অধিগ্রহণের আগে সঠিক তদন্ত, মালিকদের অবহিতকরণ এবং ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা আবশ্যক। সমাবেশে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মন্তব্য করুন
