

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আর মাত্র কদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফুটবলের মহাযজ্ঞ বিশ্বকাপ। ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই বিশ্বজুড়ে উৎসবের আমেজ । প্রতিবারের মতো এবারও মাঠে খেলা গড়ানোর আগেই শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের উন্মাদনা। বাংলাদেশের শরহ থেকে গ্রাম পর্যায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ফুটপাত থেকে শুরু করে মার্কেটে বিভিন্ন দেশের ফুটবল দলের জার্সি ও পতাকা বিক্রি বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে। দোকানিরা আকাশি-সাদা, হলুদ-সবুজসহ নানা রঙের জার্সি নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসেছেন। ক্রেতারা তাদের পছন্দের দলের জার্সি ও পতাকা কিনছেন।
তবে সবচাইতে বেশী বিক্রি হচ্ছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানির জার্সি ও পতাকা। ফুটপাতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে জার্সি পাওয়া গেলেও দোকান ৪০০ টাকার উপর বিক্রি হচ্ছে।
একাধিক বিক্রেতা জানায়, অন্যান্য সময়ের চাইতে এবার বিশ্বকাপ খেলা উপলক্ষে তুলনামুলকভাবে জার্সি ও পতাকার চাহিদা বেশি রয়েছে। খেলা যতই এগিয়ে আসছে বিক্রি ও ভালো হচ্ছে।
ফুটপাতে জার্সি বিক্রেতা সবুজ মিয়া বলেন, আসলে আমি সারা বছর হাটে বাজারে ঘুরে পতাকা, স্টিকার, ব্রেসলেটসহ নানা জাতের সামগ্রি বিক্রি করছি। সামনে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা আসায় ওইসব বিক্রির পাশাপাশি খেলোয়াড়দের জার্সি ও বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করছি। বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা উপলক্ষে জার্সি ও পতাকার ভালো চাহিদা রয়েছে। আমার কাছে সাধারণত ১৫০ থেকে ৪শ টাকা দামের জার্সি ও পতাকা রয়েছে। এখানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি এবং পতাকা বেশী বিক্রি হচ্ছে।
ফুটপাতে পতাকা বিক্রেতা মিস্টার মিয়া বলেন, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। মৌসুম অনুযায়ী যখনই যেটা পাই সেটি বিক্রি করে থাকি। গত প্রায় ২০ দিন ধরে পতাকা ও জার্সি বিক্রি করছি।
আমার কাছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জার্সি রয়েছে। বিক্রি অনেক ভালো হচ্ছে। খেলা যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রিও তত বাড়বে বলে আশা করছি।
মো: আফজাল বলেন, আমি ছোট বেলা থেকে আর্জেন্টিনার একজন সমর্থক। এ খেলাকে কেন্দ্র করে বড় আকারের একটি পতাকা তৈরী করে ছাদে লাগিয়েছি। সেইসাথে প্রিয় দলের জার্সি ক্রয় করেছি।
শাহজাহান মিয়া বলেন আমি নিজে একজন আর্জেন্টিনার সমর্থক। আমার দুই ছেলে ও আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করে। তাই তাদের জন্য জার্সি কেনা হয়েছে। খেলা উপলক্ষে বাড়ির ছাদে সাঁটানো হয়েছে প্রিয় দলের পতাকাও। আমাদের পরিবারে বিশ্বকাপ এলেই আলাদা এক উন্মাদনা তৈরি হয়।