

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানা পুলিশ পৃথক অভিযানে এক কথিত কবিরাজ এবং সাংবাদিক পরিচয়দানকারী তিন চাঁদাবাজসহ মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।
শনিবার (২৪ এপ্রিল) উপজেলার কেউচিয়া ইউনিয়নের জনার কেঁওচিয়া এলাকায় পৃথক দুটি ঘটনায় এসব গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া উপজেলার জনৈক এক নারী (৩২) তার স্বামীকে ফিরে পাওয়ার আশায় জনার কেঁওচিয়ার মাস্টার পাড়ার কথিত কবিরাজ সজল কান্তি দাশের (৬৫) কাছে যান। ওইদিন দুপুর দেড়টার দিকে কবিরাজ তাকে প্রলোভন দেখিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন ভিকটিম।
এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-৩২) দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত সজল কান্তি দাশকে গ্রেফতার করে। সজল ওই এলাকার মৃত পুলিন বিহারী দাশের ছেলে।
এদিকে কবিরাজের ঘরে ওই নারী অবস্থান করার সুযোগ নিয়ে একদল যুবক নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সেখানে প্রবেশ করে। তারা কবিরাজ সজলের কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং ভয়ভীতি দেখায়। কবিরাজের স্ত্রী ঝর্না রানী দাশের সন্দেহ হলে তিনি আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। স্থানীয় জনতা ৩ জন ‘ভুয়া সাংবাদিক’কে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
বাঁশখালীর পূর্ব গুনাগরীর মৃত আবদুর রশীদের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৩) বাঁশখালীর পুকুরিয়ার আব্দুল ছলিমের ছেলে নুরুল আবছার (৪২)আনোয়ারার তৈলার দ্বীপের মৃত মরতুজ আলীর ছেলে মো. জয়নাল উদ্দিন (৩১)।
পুলিশ জানায়, এই তিনজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৪৮/৫০৬/৩৮৫/৪১৯ ধারায় চাঁদাবাজি ও প্রতারণার মামলা (নং-৩৩) রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হক বলেন- আমরা সংবাদ পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। একদিকে যেমন ধর্ষণের অভিযোগে মূল আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অন্যদিকে সাংবাদিকতার আড়ালে চাঁদাবাজি করতে আসা তিন প্রতারককেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অপরাধী যে-ই হোক, সাতকানিয়া থানায় তাদের কোনো ছাড় নেই। ভিকটিমের এজাহারের প্রেক্ষিতে মামলা রুজু করে আসামীদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জননিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন