

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব ছিল। এই বিপ্লবটি সমাপ্ত হয়নি। বিপ্লবটি যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার চিন্তাধারা ও দূরদর্শিতার আলোকে সমাপ্ত হতো, তাহলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত। কিন্তু তা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘদিন এ বিষয়ে কোনো চর্চা ছিল না, এখন আবার চর্চা শুরু হয়েছে। তার মানে অসমাপ্ত কাজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ দেশে সমাপ্ত হবে। যত বাধা-বিপত্তিই থাকুক, কোনো কিছুই বাধা হয়ে থাকবে না—খাল খালের গতিতে চলবে, প্রবাহ প্রবাহের গতিতে থাকবে। এটিই জনগণের চাওয়া, জনগণের পাওয়া।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের কাফিলাতলি বাজার এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কাফিলাতলি বাজার থেকে হামছাদী এলাকার ১২.৬ কিলোমিটার সি-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, খাল খনন করতে গিয়ে দেখা যায়, খালের মাঝখানে দোকান-বাড়িঘর গড়ে উঠেছে। যদি স্বনির্ভর বাংলাদেশের কাজ অব্যাহত থাকত, তাহলে খালের মধ্যে দোকান-বাড়িঘর হতো না। কলকারখানার বর্জ্য বা মানুষের বাসাবাড়ির ড্রেনের পানি খালে পড়ত না।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক এবং লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান প্রমুখ।
জানা গেছে, ১৯৭৮ সালে সর্বশেষ খনন হওয়া সি-খালটি পুনঃখননে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। খালটি খনন হলে সদরের হামছাদী ও রায়পুরের বামনী ইউনিয়নসহ চারটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষিকাজে সুফল পাবেন। খননকাজ শুরু হওয়া খালটির প্রস্থ ২০ থেকে ৩৫ মিটার।
মন্তব্য করুন