

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার দক্ষিণ বন্দরের হাসপাতাল রোডে অবস্থিত আমিরুল অয়েল সাপ্লায়ার্স নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সেনাবাহিনীর অভিযানে মজুদকৃত জ্বালানি তেল পেট্রোল ও ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনী পরিচালিত এই অভিযানে, উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ শামীম খান(৪৭) কে জরিমানা ও ১৪ দিনের কারাদন্ড দেয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সারাদেশে চলমান জ্বালানি তেলের সংকটকালীন সময়ে শামীম খান দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেল মজুদ করে রাতের আঁধারে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে প্রশাসন তার বাসায় অভিযান চালায়।
অভিযান কালে অভিযুক্তের বসত ঘরের নিচতলায় পর্যায়ক্রমে ১৬৮৩ লিটার ডিজেল, পেট্রোল ১২০ লিটার, কেরোসিন ২৩৬ লিটার এবং অকটেন ১০ লিটার পাওয়া গেছে। জানা গেছে মোবাইল কোডটা আইন ২০০৯ এর ১২(২), ১২(৩) ধারার এবং ফৌজদারি কার্যবিধি ১০৩ ধারা অনুযায়ী এই অভিযান পরিচালিত হয়। জব্দকৃত তেল স্থানীয় হাওলাদার ফিলিং স্টেশনের নিকটে ন্যায্যমূল্যে হস্তান্তর করা হয়।
অভিযান কালে সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ। অভিযানকালে জব্দকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত বাজার মূল্যে স্থানীয় হাওলাদার ফিলিং স্টেশনে বিক্রয় করা হয়, এবং বিক্রয়কৃত অর্থ সরকারি কোষাগার জমা দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ জানান, বাজারে ডিজেল এবং পেট্রোলের সংকট রয়েছে। অভিযানে আটককৃত ব্যবসায়ী অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তার বাসায় এগুলো সংরক্ষণ করেছেন। শুরুতে তিনি দাবি করেন তার দোকানে বিক্রয়যোগ্য কোন জ্বালানি তেল নেই। তার দোকানে প্রবেশ করে উল্লেখযোগ্য তেমন কোন জ্বালানির তেল পায়নি কিন্তু তার বসত ঘরে প্রবেশের পরে অবৈধভাবে সংরক্ষিত তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া তিনি আমাদেরকে উল্লেখযোগ্য কোন লাইসেন্স দেখাতে পারেননি কিংবা কোন ক্রয় রশিদ দেখাতে পারেনি। মোবাইল কোট পোর্টাল আইনের ধারণা অনুযায়ী তাকে কে জরিমানা ও ১৪ দিনের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন