

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ পরিবেশবান্ধব সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮শ ৪০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল থেকে কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটি পুরোপুরি উৎপাদনে সচল ছিল। তবে গ্যাস সংকটের কারণে হঠাৎ উৎপাদন বন্ধ হওয়ায় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এই কারখানার সার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর।
সূত্র আরও জানায়, উৎপাদন বন্ধ হলেও কারখানার গুদামে বর্তমানে ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে।কারখানার কর্মকর্তারা জানান, নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য প্রতিদিন ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাস চাপ প্রয়োজন হয়। তবে ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও সীমিতভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাপ না থাকায় উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে কারখানাটি আবার কবে পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে ফিরবে—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এদিকে পলাশে অবস্থিত তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির স্থানীয় অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার আল আমীন-এর মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন