

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মুন্সীগঞ্জ শহরের প্রধান মাছ বাজারে টোল নির্ধারণ সংক্রান্ত টেন্ডারের দুটি রেট চার্টের কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিকল্প হিসেবে অন্য একটি ক্রমিক অনুযায়ী টোল আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হাইকোর্ট এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম।
জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা প্রতি বছরের মতো চলতি বছরও শহরের প্রধান মাছ বাজার ইজারা দেওয়ার জন্য গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টেন্ডার আহ্বান করে। তবে টেন্ডার সিডিউলের ৭৬ ও ৭৭ নম্বর ক্রমিকের রেট চার্টে অসামঞ্জস্য ও অতিরিক্ত টোল আরোপের অভিযোগ তুলে মুন্সীগঞ্জ মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।
সিডিউল অনুযায়ী, ৭৬ নম্বর ক্রমিকের অধীনে মাছ পাইকারি বিক্রি করলে বিক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা ৪ টাকা এবং ৭৭ নম্বর ক্রমিক অনুযায়ী মাছের দোকানে বসে খুচরা বিক্রি করলে শতকরা ৩ টাকা টোল দিতে হবে। কিন্তু একই সিডিউলের ৭৮ ও ৭৯ নম্বর ক্রমিক অনুযায়ী মাছের বড় দোকান বা চাটাই প্রতি ৭ টাকা এবং ছোট দোকান বা চাটাই প্রতি ৫ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে।
মৎস্য ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারের অন্য পণ্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের শতকরা হারে টোল আদায়ের বিধান নেই। সিডিউলের ৫১ নম্বর আইটেমে কাঁচামাল ও তরিতরকারির বড় দোকান প্রতি ১২ টাকা এবং ছোট দোকান প্রতি ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ৮০ নম্বর ক্রমিক অনুযায়ী হাঁস-মুরগি ও পাখির খাঁচা প্রতি ১০ টাকা এবং ১৫৭ নম্বর ক্রমিক অনুযায়ী গরুসহ সব ধরনের মাংস বিক্রেতার দোকান প্রতি ১২ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রেও বিক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা হারে টোল আদায়ের বিধান নেই।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মাছের ক্ষেত্রে আলাদা করে শতকরা হারে টোল নির্ধারণ করায় তাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে। এ কারণেই তারা আদালতের শরণাপন্ন হন।
মন্তব্য করুন