

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশের বিভিন্ন জেলার মতোই ভালুকা উপজেলাও জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়ানো ময়মনসিংহের ভালুকা। হাড়কাঁপানো ঠান্ডা আর হিমেল বাতাসের দাপট। তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ। রাত আর দিনের তাপমাত্রা থাকছে প্রায়ই একই। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
২০২৬ সালের বছরের প্রথম রাত ৫টার দিকে ভালুকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড দেখা যায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এই কনকনে শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল ও খেটে-খাওয়া মানুষ। শীতে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ এবং ডায়রিয়া। আর শীতে শীতার্তদের কষ্ট কমাতে রাতে শীতার্ত পৌরসভার বাসিন্দা, হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী, মাদ্রাসা ও মসজিদে গিয়ে কম্বল বিতরণ করেছেন ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড ও পৌর কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের উথুরা দারুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসা ও মসজিদসহ ৯টি মাদ্রাসায় ৬টি করে কম্বল বিতরণ করা হয়। এর আগে শীতের রাতে ভালুকা পৌরসভার উদ্যোগে অসহায়, গরীব ও শীতার্ত পৌরসভার বাসিন্দাদের মধ্যে শীতবস্ত্র হিসাবে সোয়েটার হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসহায় ভর্তি থাকা রোগীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।
বিতরণকালে ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌরসভার কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইনের সঙ্গে পৌরসভার মো. শাহাব উদ্দিনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড ও পৌরসভার কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন এনপিবি নিউজকে জানান, পৌরসভায় কোনো কম্বল বরাদ্দ আসে না। তবে উপজেলা থেকে যতখানি সংগ্রহ করতে পেরেছি তা থেকে আজকে উথুরা দারুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসা ও মসজিদসহ ৯ টি মাদ্রাসায় ৬ টি করে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত শীত থাকায় ভালুকা পৌরসভার উদ্যোগে অসহায়, গরীব ও শীতার্ত পৌরসভার বাসিন্দাদের শীতবস্ত্র হিসাবে সোয়েটার প্রদান করা হয় এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসহায় ভর্তি থাকা রোগীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই সহকারী কমিশনার ভূমি।
মন্তব্য করুন
