শনিবার
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবাদের নতুন ভাষা, বোরকা পরে সংসদে প্রবেশ: অধিবেশন স্থগিত

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৯ এএম
জনসমক্ষে বোরকা নিষিদ্ধের প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি না পাওয়ার পর তিনি প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বোরকা পরে সিনেট কক্ষে ঢোকেন
expand
জনসমক্ষে বোরকা নিষিদ্ধের প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি না পাওয়ার পর তিনি প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বোরকা পরে সিনেট কক্ষে ঢোকেন

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে আবারও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ওয়ান নেশন পার্টির সিনেটর পলিন হ্যানসন।

জনসমক্ষে বোরকা নিষিদ্ধের প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি না পাওয়ার পর তিনি প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বোরকা পরে সিনেট কক্ষে ঢোকেন।

সিনেটররা তাকে ওই পোশাকে আসনে বসতে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে আপত্তি জানান। হ্যানসন বোরকা খুলতে অস্বীকৃতি জানালে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক রূপ নেয় এবং অধিবেশন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

ঘটনাটিকে গ্রিনস পার্টির নিউ সাউথ ওয়েলসের সিনেটর মেহরিন ফারুকি ‘স্পষ্ট বর্ণবাদী আচরণ’ হিসেবে অভিহিত করেন। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম স্বতন্ত্র সিনেটর ফাতিমা পেইম্যানও বিষয়টিকে ‘অপমানজনক’ বলে মন্তব্য করেন।

সরকারি লেবার পার্টির সিনেট নেতা পেনি ওং এবং বিরোধী দলের অ্যান রাসটন উভয়েই হ্যানসনের আচরণকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন।

পেনি ওং জানান, এই ধরনের কর্মকাণ্ড সিনেটের শৃঙ্খলা ও মর্যাদার পরিপন্থী। তিনি হ্যানসন পোশাক খুলতে রাজি না হওয়ায় তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারের প্রস্তাব দেন।

এর আগেও- ২০১৭ সালে- হ্যানসন একই কৌশলে বোরকা পরে সিনেট কক্ষে ঢুকে বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন। অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন ধরে বোরকা নিষিদ্ধের দাবি তুলছেন।

পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, সিনেট তার বিল বাতিল করায় প্রতিবাদ জানাতেই তিনি বোরকা পরে চেম্বারে প্রবেশ করেছিলেন।

তাঁর দাবি, “যদি সংসদ বোরকা নিষিদ্ধ না করে, তবে আমি নিজেই দেখাতে চাই কেন এটি নিষিদ্ধ করা জরুরি।”

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X