

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতের মহারাষ্ট্রে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মুম্বাইয়ের কাফে প্যারেড এলাকায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, তরুণীর গর্ভে থাকা ভ্রূণটির জৈবিক পিতা তারই বাবা। খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।
ভুক্তভোগী ২০ বছর বয়সী ওই তরুণী শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী। পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি ইশারার মাধ্যমে তার দাদিকে পেটে তীব্র অস্বস্তি ও অস্বাভাবিক নড়াচড়ার কথা জানান। পরে তাকে মুম্বাইয়ের কামা অ্যান্ড আলব্লেস হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হন, তিনি প্রায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ঘটনাটি জানার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করে। তদন্তে শুরুতে নানা জটিলতা দেখা দেয়, কারণ তরুণী কথা বলতে পারেন না এবং প্রাথমিকভাবে কোনো বক্তব্য দিতেও সম্মত হননি।
পুলিশ পরে তার বাবার সঙ্গে কথা বলে। এ সময় তিনি ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং মেয়ের গর্ভধারণের বিষয়ে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করতেও অস্বীকৃতি জানান। কাউন্সেলিংয়ের পর ভুক্তভোগী তরুণী অভিযোগ দায়ের করতে রাজি হন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে গ্রেফতার করে এবং ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরকে আটক করে। এরপর বাবাসহ মোট ১৭ জন সন্দেহভাজনের রক্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ভ্রূণের জেনেটিক প্রোফাইলের সঙ্গে এসব নমুনা মিলিয়ে ধর্ষকের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, ভ্রূণটির জৈবিক পিতা ওই তরুণীর বাবা। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের ঘটনাগুলো গত বছরের মার্চ থেকে ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একাধিকবার ঘটে। এই ঘটনায় ২২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করা হয়।
মন্তব্য করুন

