

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে শিরোপার পাশাপাশি ব্যক্তিগত পুরস্কারেও আধিপত্য দেখিয়েছে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল, সেরা গোলরক্ষকের গোল্ডেন গ্লাভ এবং সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার-সবই গেছে স্প্যানিশদের দখলে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ গোলদাতার গোল্ডেন বুট জিতেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও ফাইনালে হারের পর গোল্ডেন বুট কিংবা গোল্ডেন বল-কোনোটিই জেতা হয়নি তার। তবে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেরা ফুটবলার হিসেবে সিলভার বল পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।
এবারের আসরে ৮ ম্যাচে ১০ গোল করে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে পরপর দুই আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জয়ের কীর্তি গড়েন ফরাসি এই তারকা। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি পেছনে ফেলেছেন মেসিকে, যিনি টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন ৮ গোল নিয়ে।
বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি। পুরো টুর্নামেন্টে মাঝমাঠে অসাধারণ নৈপুণ্য, নেতৃত্ব এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে স্পেনকে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
ফাইনালে গোল না পেলেও পুরো আসরে আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা ছিলেন মেসি। ৮ গোলের পাশাপাশি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিস্ট করে দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলতে নেতৃত্ব দেন তিনি।
বিশেষ করে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার দুটি অ্যাসিস্ট আর্জেন্টিনার নাটকীয় জয়ে বড় ভূমিকা রাখে। সেই ধারাবাহিকতার স্বীকৃতি হিসেবেই তার হাতে ওঠে সিলভার বল।
এর আগে ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল জেতা মেসি এবার বিশ্বকাপ শেষ করলেন দ্বিতীয় সেরা খেলোয়াড়ের সম্মান নিয়ে। আর তৃতীয় সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ব্রোঞ্জ বল পেয়েছেন এমবাপ্পে।
সেরা গোলরক্ষকের গোল্ডেন গ্লাভ জিতেছেন স্পেনের উনাই সিমন। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র এক গোল হজম করে ৮ ম্যাচে ৭টি ক্লিন শিট রাখেন তিনি। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স স্পেনের রক্ষণকে পরিণত করে সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিটে।
এদিকে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডার পাও কুবার্সি। বার্সেলোনার এই সেন্টার-ব্যাক টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। ফাইনালেও তার নেতৃত্বে স্পেনের রক্ষণভাগ আর্জেন্টিনার আক্রমণকে কার্যকরভাবে আটকে রেখে শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
