

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও তা থেকে নির্বাচনের রূপরেখা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতের মিল নেই।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাম্প্রতিক আলোচনায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এ দাবি তুলেছেন যে কেবল কাগজে সংস্কার হলেই চলবে না —সংস্কারের একটি শক্ত আইনি ভিত্তি থাকা প্রয়োজন।
হামিদুর রহমান আরো বলেন, যা সংস্কারের নামে করা হবে তার পেছনে যেটা থাকতে হবে তা হলো আইনি কাঠামো, যাতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই (টাইমলাইনে) সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তিনি বলেন, জনগণের অভ্যুত্থান ও যে সামাজিক আন্দোলন হয়েছে তার মর্মবাণীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এগুলো আইনি রূপ দেওয়া উচিত, নইলে আন্দোলনের উদ্দেশ্য পূরণ হবে না।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রক্রিয়াকে তারা কোনটি প্রাধান্য দেবে তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন —সংসদভিত্তিক পন্থা নাকি জনগণের অভিপ্রায়কে সম্মানীকরণ। তিনি যুক্তি তুলে ধরেন যে জনগণের আন্দোলন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া এবং সেটার পূর্ণতা আনার জন্য পদক্ষেপগুলো অর্থবহ ও আইনসম্মত হওয়া জরুরি।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশেষ কোনো সাংবিধানিক অধ্যাদেশ বা ‘স্পেশাল অর্ডার’ প্রযোজ্য হলে তা রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ, অথবা গণভোটের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যেতে পারে। প্রথম ধাপে অর্ডার জারি করে পরে গণভোটে তা চূড়ান্ত করা হলে আইনি বাধ্যবাধকতা ও বিচার বিভাগীয় সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, ফলে পরবর্তী নির্বাচনের বৈধতা ও সংবিধানগত কাঠামোও রক্ষা পাবে।
আযাদ সতর্ক করেন, যদি শুধু নামমাত্র সংস্কার হয় এবং শক্ত আইনি সুরক্ষা না থাকে, তাহলে আন্দোলনের লক্ষ্য নষ্ট হতে পারে এবং দেশ অস্থিরতার দিকে ধাবিত হবে। এছাড়া তিনি বলেন, দায়িত্বশীল রাজনৈতিক প্রচেষ্টা ও ব্যাপক আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধানে আসলে জাতিরই মঙ্গল হবে।
মন্তব্য করুন
