

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ডের ছয় মাস পার হলেও রবিবার (১০ মে) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে। তবে এখনো পাওয়া যায়নি ডিএনএ রিপোর্ট।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট না পাওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব হচ্ছে।”
জোবায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বার্জিস শাবনাম বর্ষা, তার প্রেমিক মাহির রহমান ও ফারদীন আহম্মেদ আয়লান। এছাড়া মাহিরের বন্ধু প্রীতম চন্দ্র দাস এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।
গত বছরের ২১ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের পৃথক আদালতে তাদের জবানবন্দি ও সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে মাহির রহমান, বর্ষা ও আয়লান আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ময়নাতদন্ত শেষে গত ২০ অক্টোবর জোবায়েদকে কুমিল্লার কৃষ্ণপুর গ্রামে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেন বলেন, “মামলার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো সহযোগিতা পাইনি। যথাযথ সহযোগিতা পেলে চার্জশিট দাখিলে এত দেরি হওয়ার কথা নয়।”
বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম বলেন, “জোবায়েদ হত্যা মামলার ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট এখনো হাতে আসেনি। এ কারণে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে আমরা আশাবাদী, আগামী সপ্তহের মধ্যেই ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়া যাবে। এরপর তদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে পারবো।”
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসতিয়াক হোসাইন বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১০ মে দিন ধার্য রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে পুলিশ প্রতিবেদন আসেনি। মামলাটি এখনো আমলি আদালতে রয়েছে। মামলার আসামিদের কেউ এখনো জামিন পাননি, সবাই কারাগারে আছেন।”