শুক্রবার
০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিহত শিক্ষিকার চার সন্তানের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন: ইবি ভিসি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫২ এএম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি
expand
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে নিহত সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার চার সন্তানের অভিভাবকের দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পালন করবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাদ যোহর কুষ্টিয়া পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নিহত শিক্ষিকার আসমা সাদিয়া রুনার জানাজার নামাজে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় ইবি উপাচার্য বলেন,"আসমা সাদিয়া রুনা অত্যন্ত বিনয়ী একজন মানুষ ছিলেন। গতকাল ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরে সেখানে যেয়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। কিছুই বলতে পারছিলাম না। এমন মর্মান্তিক ঘটনা জীবনে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেখিনি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, সকল শিক্ষক- ছাত্র সমাজ আজকে শোকাভিভূত। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ তার পরিবারের সবাই আজ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের কাছে হত্যাকারীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করে।"

তিনি আরও বলেন,"অপরাধীর শাস্তির ব্যাপারে কোনো ভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং রুনার পরিবার থেকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। রুনাকে যেভাবে অত্যাচার করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, আমরা দোয়া করবো পবিত্র রমজান মাসে আল্লাহ যেনো তাকে শহীদের মর্যাদা দান করেন।"

ড. নকীব মোহাম্মদ বলেন,"ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুসারে রুনার পরিবারের যত প্রাপ্য আছে, সব কিছু আমরা নিশ্চিত করবো। রুনার পরিবারে চারটি সন্তান আছে, এ পরিবারের পাশে থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গার্জিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে ইনশাআল্লাহ।"

জানাজায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মাওলানা আমির হামজা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নকিব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ ইয়াকুব আলিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী পরিবারের সদস্য এবং সাধারন মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

জানাজা শেষে বিকেল ৩টার দিকে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে আসমা সাদিয়া রুনার দাফন সম্পন্ন করা হয়। এসময় এলাকাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকাশ্য শাস্তি দাবি করেছেন আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয়রা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন