

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দরজায় কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। তবে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নিতে না পারলেও বিভিন্ন দলের সমর্থনে ব্যাপক উচ্ছাস প্রদর্শনের দরুণ বৈশ্বিক গণমাধ্যমগুলোতে বরাবরই আলোচনায় থাকে বাংলাদেশ।
বরাবরের মতো এবারের বিশ্বকাপেও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে উন্মাদনায় মেতেছে জনতা। তবে এবার এই সমর্থনের ভাগ চেয়ে বসেছে আর্লিং হোলানের দেশ নরওয়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নরওয়ের বাংলাদেশ দূতাবাস লিখেছে, ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের উচিত নরওয়েকে সমর্থন করা!’
কেন বাংলাদেশ নরওয়েকে সমর্থন করবে, সেই কারণও ব্যাখ্যা করেছে তারা। নরওয়ের ভাষ্য, ফুটবলের বাইরেও দুই দেশের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে।
বার্তায় বলা হয়, ‘আমাদের দুই ফুটবলপ্রেমী দেশের সম্পর্ক শুধু ফুটবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমাদের মধ্যে মিল রয়েছে, যা অনেকের ধারণার চেয়েও বেশি।’
নরওয়ে স্মরণ করিয়ে দেয়, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথমদিকের দেশগুলোর একটি ছিল তারা। পাশাপাশি শান্তি, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু ইস্যুতেও দুই দেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করে থাকে।
তারা বলেছে, ‘সম্মান, ইতিহাস ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ এবার বিশ্বকাপে খেলছে না। তাই ২৮ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফেরা নরওয়েই হতে পারে বাংলাদেশিদের সমর্থনের উপযুক্ত দল।’
দুই দেশের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক কিছু মিলও তুলে ধরা হয়েছে। নরওয়ের মতে, নদী ও সাগরনির্ভর উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে রয়েছে অনেক সাদৃশ্য। মাছের প্রতিও দুই দেশের মানুষের ভালোবাসা রয়েছে।
বার্তায় আরও বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উন্নয়ন কার্যক্রম কিংবা ফুটবল মাঠ—সব জায়গাতেই আমরা ন্যায্যতাকে গুরুত্ব দিই।’ নিজ নিজ অবস্থানে দুই দেশ ছোট হলেও স্বপ্ন বড় বলেও মন্তব্য করেছে নরওয়ে।
তাদের ভাষায়, ‘বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে তুলনামূলক ছোট এবং জনসংখ্যার হিসেবে নরওয়ে ছোট। তবে বিশ্বমঞ্চে আমাদের দু’দেশেরই স্বপ্ন অনেক বড়।’
সবশেষে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা আর্লিং হালান্ডের কথাও উল্লেখ করা হয়। নরওয়ে বলেছে, ‘যারা এখনো নিশ্চিত নন, তাদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হতে পারে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ড।’
নরওয়ের ঢাকা দূতাবাস এই বার্তা দিয়ে তাদের স্ট্যাটাস শেষ করে, ‘তাহলে কী বলো, বাংলাদেশ? এবার আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়ানোর সময়। একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময়।’
