

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান ও বিএনপির সাবেক নেতা ইয়াকুব সরকারসহ কয়েক শ ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির নেতা রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, ‘জামায়াত বর্তমানে অপরাধী পাপ মুক্তকরণ টিকিট চালু করেছে।
বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। পোস্টে জামায়াতে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের অতীত কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য তুলে ধরে দলটির সমালোচনা করেছেন।
পোস্টের শুরুতে সদ্য জামায়াতে যোগদান করা অতিরিক্ত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানকে নিয়ে তিনি বলেন, ০০৪ সালে অর্থের বিনিময়ে জামিনের আশ্বাসের অভিযোগে অপসারণ করা হয়। পরবর্তীতে অপসারণের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান শাহিদুর রহমান। কিন্তু ২০১৫ সালেও তার অপসারণ করে দেওয়া রাষ্ট্রপতির আদেশ বহাল রাখে আপিল বিভাগ। এবার তিনি জামায়াতে যোগদান করে অতীতের সমস্ত বিতর্ক থেকে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। জামায়াতকে ধন্যবাদ যে, জামায়াত অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন করে সঠিক পথে আনার উদ্যোগ নিয়েছে!
একই পোস্টে রাশেদ খান বিএনপির সাবেক নেতা ইয়াকুব সরকারের জামায়াতে যোগ দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। ইয়াকুব সরকার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ইসহাক সরকারের ভাই। জামায়াতে যোগ দেওয়ার অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ইয়াকুব সরকার তাঁর দীর্ঘদিনের বিএনপির রাজনীতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ৩৬ বছর বিএনপির রাজনীতি করেও তিনি ‘মানুষ হতে পারেননি’; পরে কারাগারে জামায়াতের নেতাদের সংস্পর্শে এসে তিনি পরিবর্তিত হয়েছেন।
ইয়াকুব সরকারের এই বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান জামায়াতকে ‘আলাদিনের চেরাগের’ সঙ্গে তুলনা করে বলেন, জামায়াতের এই আলাদিনের চেরাগ দেখার খুব ইচ্ছে, সেখানে কি জাদু আছে যে মুহূর্তের মধ্যে একজন অপরাধীও পাপ মুক্ত মানুষ হয়ে যায়! ভোটের আগে জান্নাতের টিকিটের মতোন জামায়াত বর্তমানে ‘অপরাধী পাপ মুক্তকরণ টিকিট’ চালু করেছে বলে মনে হচ্ছে! তবে এটা অবশ্য ইতিবাচক যে, সব অপরাধী যদি জামায়াতে গিয়ে ভাল মানুষ হয়ে যায়, তাও দেশটা অপরাধী মুক্ত হবে!


